হে মহাগুরু তুমি কবিগুরু তুমি রবীন্দ্রনাথ পরমগগুরু।
ant manik
মঙ্গলবার, ৯ মে, ২০১৭
শুক্রবার, ২৪ মার্চ, ২০১৭
কলেমা
কালো মেঘ__
আকাশে কালো মেঘ।
জমেছে।
কালো মেঘ জমেছে।
হৃদয়ে।
আকাশের মেঘ বর্ষায় প্রান পবে।
নীলে।
হৃদয়ের কালো মেঘ নোনা বর্ষায়।
প্রাণ পাবে না।
গাঢ় কালো জড়িয়ে-ছড়িয়ে।
সারা বুক জুড়ে গেছে।
ধুধু মরুভূমি-ময় জীবনটাই।
বিলিয়ে দিলাম।কলেমায়।
সাদা মেঘের আশায়।
উড়িয়ে দিলাম আমায়।
২৪/০৩/২০১৭
উৎসর্গ:জগৎসিংকে দিলাম।
বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ, ২০১৭
জগৎসিয়ের নোনা বেদনা।
জগৎসিংয়ের নোনা বেদনা-
জগৎসিং এর ঘোড়া।
প্রতিরাতে দৌড়ায়।
অজোপাড়া গাঁয়ে।
মান্দারন কালকৈ জুড়ে।
জগৎসিং মাথা ঠোকে
সেই দেবমন্দিরে-
পাষান দেবতাচরণে।
দুর্গেশনন্দিনী পথ চেয়ে-
বসে থাকে দক্ষীন রেলিংয়ে-
সকাল দুপুর সন্ধ্যা সাঁঝে
দু-চোখ নোনা জলে ভাসে।
তিলোত্তমা আর ধুলায় লুটায়ো না-
জগৎসিং আর দৌড়ায়ো না।
পাঠান সেনা রাস্তার মোড়ে মোড়ে-
তোমাদের দিবানিশি খুজে ফিরে।
দেবমন্দিরে খিল দাও-
খিল দাও শওন কক্ষে-
খিল দাও দূর্গ কুঠিরে-
খিল দাও মনের-মনি কোঠায়।
হারিয়ে যাও চাঁদের দেশে-
তিলত্তমার অঞ্চলে হাত রেখে।
২৩/০৩/২০১৭
উৎসর্গ:বিমলা,কে দিলাম।(রাধাকৃষ্ণকলিরে দিলাম)
শনিবার, ১৮ মার্চ, ২০১৭
তুমি আমি একসাথে।
তুমি-আমি একসাথে।
ভোরবেলা সৌনালী সূর্য্যের হাত ধরে-
হেটে যাব তুমি-আমি একসাথে।
হারিয়ে যাব চাঁদনী রাতে-
হাতে হাত রেখে।
দূর-দিগন্তরেখা পেরিয়ে-গিরীখাতে
ঝর্ণার কুল কুল ধনি প্লাবিত তটে-
চাঁদের কিরণ লাগবে যখন তোমার-
মুখে,ঠোটে,হাতে।
আলতো করে চুষে নিব-চাঁদের কিরণ-যবে,
ঠোটের চুম্বনরসে।ঠিক যেন আলোক-লতা
আকড়ে আছে বৃক্ষের সাথে।চাঁদনী রাতে।
ছায়াপথ,নিহারীকা,উল্কা,খুজে ফিরব
চোখ গুলো বুজে-স্বপ্নের সাথে।
পরীর দেশে উড়ে উড়ে,ঘুরব-ফিরব
তুমি আমি একসাথে।স্বপ্নের দেশে।
১৮/০৩/২০১৭
উৎসর্গ:জীবনানন্দ দাশকে দিলাম।
শুক্রবার, ১৭ মার্চ, ২০১৭
তোমার আকাশে শুকতারা
তোমার আকাশে তাঁরা।
শুকতারা সেদিনো উঠেছিল-
সন্ধ্যার আকাশে।
সেদিনো তোমার মুখ-হেসেছিল।
হেসেছিল প্রকৃতি পাখিরা।
জ্যোস্মা উঠেছিল,চাঁদের কিরণে-
ঝলমল করছিল তোমার আঙিনা।
আত্নীয়-স্বজন জুড়ে ছিল বাড়িটা।
কালো মেঘ লুকিয়ে-ছিল।
এক আকাশ তাঁরা জেগেছিল।
নববর আগমনে সাঁনায়ের সুর-
গাঢ় সুখ নিয়ে হাজির হল।
পান পাতায় মুখ লুকিয়ে
বিয়ের পিরিতে এসেছিলে-তুমি।
লজ্বা বতির মতন লাল সাড়ী পরে।
সবকিছু ঠিক-ঠাক এক হাট সুখ-
নিয়ে সাঁজাতে ঘর-জমালে আসর।
সবাই ছিল সে রাতে-শুধু আমি নাই পাশে।
সে-রাতে তোমার আঙিনায় সবার সাথে।
হব সন্ধ্যা তাঁরা।আমি।তোমার আকাশে।
এই ভেবে মুখে তুলি।ধুতরার ফুলগুলি।
নিমিষেই মিটে গেল শত বছুরে হিসাব।
কতশত স্বপ্নের অবসান শেষ।রইলাম
তোমার আকাশে সন্ধ্যা তাঁরা বেশে।
১৮/০৩/২০১৭
উৎসর্গ:রাধাকৃষ্ণকলি'র জন্যে।
যৌবনের স্মৃতীচারণা
যৌবনের স্মৃতীচারণা
মোর যৌবনে যত রাত্রি,
কাটিয়াছে নিরালায় জাগি
তব দু-বিন্দু অশ্রু নোনা বারি
ঘোচাবে কি?তার ক্লেশ কালি।
অনন্ত পথে করিয়াছি যত যাত্রা
খুজে ফিরিয়াছি হিজল তলা,তব ছায়া
আকাবাকা মেঠপথে তব স্মৃতীমাখা ভোরবেলা,
মিলেনী কোথাও তাহা,
বেদনময় স্মৃতীচারণ হৃদয় লয়ে
বক্ষ ভাসায়েছি শুধুই
বেদনমাখা নোনা জল চখে লয়ে
বসেছি ধানের আইলে একাকি
তব স্মৃতীজড়ানো গামছা বিছায়ে,
হেটেছি সে পথে
যে পথে তুমি হাটিতে চৈত্রের দুপুরে,
ঝংকার তুলিতে নুপুরে,ঘুঙুরে,
বটবৃক্ষতটে,
বসি থাকি ছায়া দেখি,
কুমার তীরে,রৌদ্রমাখা দুপুরে,
বসি থাকি,
যেখানে পদচিহ্ন এখনো বিদ্যমান।
যৌবনের যত রাত্রি
জাগিয়া তব লাগিয়া
বেদনময় হৃদয় লইয়া
একাকি জাগিয়া রাত্রি জাগিয়া
দিই হাজার যৌবন রাত্রি পাড়ি।
শুভ জন্ম দিন।বঙ্গবন্ধু।
শ্রদ্ধেয়-শেখ মুজিবুর রহমান।
এসেছিলে তুমি -তে।
স্বদেশে'র ভূমিতে-তে।
শীত এবং গ্রীষ্ম-তে।
হয় সবাই নিঃস্ব-যে।
এসেছিলে তুমি-তে।
স্বদেশে'র ভূমি-তে।
বাংলা'র মুখ আলোকিত করে।
বাংলা মায়ের কোল জুড়ে।
এসেছিলে তুমি-তে।
স্বদেশে'র ভূমি-তে।
বাংলা স্বাধীন করি-তে।
বাংলা'র মুখে হাসি ফোটা-তে।
নিয়েছিলে অস্ত্র হাতে।
বজ্রকন্ঠে,উন্নত চিত্তে।
গেয়েছিলে বিজয়ের গান।
সে গানের সুরে-
ভেসে এল স্বাধীনতার বান।
পেয়েছি স্বাধীনতা।
তোমার নাম হৃদয়ে গাঁথা
হারিয়ে তোমাকে।
ভেসেছি আজও চেখের জলে।
তুমি মহান নেতা।
জানে বাংলার জনতা।
তুমি বাংলার বন্ধু।
তুমি বঙ্গবন্ধু।
তুমি জাতির পীতা।
তুমি শেখ মুজিবর।রহমান।
সাতের-ঐ মার্চ।অম্লান।
শুভ জন্মদিন আজ।
১৭/০৩/১৭
উৎসর্গ:বঙ্গবন্ধু,কে। জয় বাংলা