বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৬

শীত

শীতের সময়টা সবার কাছে অতি প্রিয়।বিশেষ করে হত দরিদ্র ব্যাতিত।যাদের শীত নিবারনের  মতন পোষাক আছে তাদের কাছে খুবই আরাম প্রিয় একটা ঋতু।যাহা শহরে বসবাস করেন নন এসি গাড়িতে চলাচল করেন তাদের জন্য আরো ভালো!তাছাড়া গ্রাম গঞ্জে যারা গরিব মানুষ তারাও প্রিয় পিঠা পুলি পায়েস মাছ মাংস,বেশ কয়েকদিন ঘরে রেখে খেতে পারেণ।সকালে চায়ের দোকানে গীয়ে এক কাপ গরম চা পান করবেন, তারপর যার যার কাজে বেরিয়ে পড়বেন,এটাই হচ্চে বাংলার গ্রামের ঐতিহ্য!

আমার দৃষ্টিকোন থেকে এবং যারা প্রকৃতি প্রেমিক তাদের দৃষ্টিকোন থেকে বলছি।শীতের সময় রাস্তাঘাটে প্রচুর পরিমান ধুলা বালি হয়,এবং বাতাসে উড়তে থাকে,সবুজ শ্যামল বনানীর উপর গিয়ে পড়ে আর গাছের সবুজ পাতাগুলো ধোয়াটে হয়ে যায়। দেখতে একদম পচা লাগে।
বাংলার ঐতিহ্য হচ্চে সবুজ শ্যামলে তা যদি এই শীতে নষ্ট করে তাহলে ক্যামন লাগে বলুন আপনারই!

শনিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৬

বাংলাদেশ

আমি ধন্য আমি ধন্য
তোমায় পেয়ে
মাগো তোমার কোলে মাথা রেখে
ধন্য আমি ধন্য
বাংলা মায়ের কোলে জন্ম নিয়ে!

শুক্রবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৬

চাই এমন একজনকে,না বলতেই সমাধান হবে হাজারো সমস্যার,

বছর দেড় আগের লেখা
এক জাগরনের কবিতা
এক মহা নায়কের প্রত্যশায়!

তুমি বাক শূণ্য বধির,
কহিছো-না কথা আজ,
কালের চাকা থামিয়া,
বাজিছে দুখের ঘন্টা,
কেউ বুঝিছেনা মনটা
ভিতরে ভিতরে উতরায়ে,
টকবগ করি ঝরিছে,রক্ত
দেহের লোম বয়ে, ঘাম হয়ে
অসহায় ক্রন্দন শুনে
তুমি আজ বাক শূন্য নির্বোধ,
দেখো চাহিয়ে, কত রক্ত ঝরিছে,
আজও থাকিবে চুপটি করে,
কবর দেশে ঘুমিয়ে,
হে বীর একবার শুনো,
নয়ন মেলিয়ে দেখ।
জাতিরে ধরিছে মরিচিকে,
ভাঙিছে নিজেরা নিজেরে মিছে
নিরিহ ছেলে কাঁদিছে কিসে,
দেখ চাহিয়ে হে প্রবীন,
কালের কলঙ্ক জড়ায়াছে দেহে,
ঘুচিবো কোন পথে, কিবা উপায়ে,
জাগি উঠি দেখো চেয়ে একটি বারে।
তুমি বিনে কলঙ্ক ঘুচিবো ক্যামনে,
মরা শকুনের আত্না জড়ায়াছে প্রানে,
রক্ত পিপাসু হইয়াছে দিবসে,
ঘাড় মটকে দিতেছে আজিকে,
সবই হইয়াছে কালের অভিশাপে,
শাপ ঘুছিবার উপায় তব জানা আছে
হেতায় আর নাহি কেউ,
তুমি বিনে বাঁচাইবার
নির্বোধ হয়ে শুয়ে আছো কবরে,
জেগে ওঠো দেখো একটি বার চেয়ে
বাক শূন্য হইয়াছি আমি,
তোমারে ডাকিতে ডাকিতে,
তবুও জাগিছো-না তুমি,
হে বধির একবার জাগ তুমি।

বিদ্র:ভুল ত্রুটি মার্জনীয়!  <3

মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৬

নারীর ভুষন লজ্বা,সৌন্দর্য কেশে

পাগল হয় সকলে
নারীর ঘুঘু চাহুনীর ফলে

আধার রাতে ভয়, আলো এলে জয়,এই নিয়েই জীবন মরন জগৎ সংসার।

০৫/০২/২০১৫
       দ্বীপ্ত প্রহর
প্রদ্বীপ নিভিয়ে দাও
         আজিকে হয়েছে প্রহর,
ঊষার আলো জ্বলছে আকাশে,
           কলো রাতের দেশে
  জ্বললো  আলো, অবশেষে,
    ফুটেছে নতুন কুঁড়ি,মেলেছে পাপড়ি
অনাহারে,অনিদ্রায়,
    কেটেছে দিন,হয়েছে কত কাল,
এবারে সব দুঃখের হলো অবসান,
       নতুন রবি,উঠছে ফুটে
হাসি হয়ে, সকল মা-য়ের মুখে,               দুঃখ,কান্না,অনাহার,হিংসা,এবার,
বিদায়, নেবে চির-তরে,দ্বিপ্ত প্রহরে।

শেখর অধিকারী

বুধবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৬

ভিটে ফেলে যেতে কষ্ট হয়,তবুও ফেলে যেতে ইচ্ছে করে।সেই ইচ্ছে পূরণ হইল।

চলে গেছে দেশ ছাড়ি,
পড়ে আছে ভীটে বাড়ী
যমঘুঘু এসে কুক ডাকে
উঠান কোনে সজিনা ডালে।

পোষা বেড়াল,দুটো এখনো রান্নাঘর কোনে আচড় কাটে,পাটকাঠির বেড়ায় ঝলানো বাজারের থলেতে, খুদা নিবারণের আশে।

ভিখারীগন উঠানের পাশে দাড়িয়ে রয়
হাক ছাড়ে দাও গো মা কিছু চাল ডাল।
সাড়া শদ্ব না পেয়ে নিরাশ হয়ে ফিরে যায়
বিড় বিড় করতে করতে।

চোখেল জল অবিরাম ঝরে প্রতিবেশীর ঘরে
জানালা খুলেই দেখে নাই প্রতিবেশী তাঁর।
উৎসব অনন্দের দিন এলে
নিমন্ত্রন দেয় না কেউ, এ বাড়ি
আসে না কেউ নুন চাল ধারিতে
আসে না কেউ এক পলক চোখের দেখা দেখতে
অসহায় ভিটে মাটিরে।
সবাই আছে তবুও নেই যেন কি?
মানবতা নাকি

সোমবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৬

প্রলয়,

হয়ে গেছে লক্ষ সেকেন্ড।চলে গেছে হাজার ঘন্টা মিনিট দিন।আকাশের বুক খালি করে রাজটিকা উড়াল দিছে নীহারিকার দেশে।

শরৎ,আমার কাছে অদ্ভুত ঋতূ

আমার আকাশে শরতে সাদা ধুপগুড়ি মেঘেরা খেলা করে।খেলা শেষে নীল আকাশ ছিন্ন করে
বৃষ্টির ফোটা হয়ে ঝরে পড়ে মৃত্তিকার বুকে।ছেদ করে ফুসফুসের উষ্ণ দেয়াল নিকটিনের ধুপগুড়ি
ধোয়া।মৃত্যুর মুখে লুটায়ে ভুপতিত করে মৃত্তিকার শরিরকে।

রবিবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৬

সবা মানুষ,সব মানুষের নয়,

বাজিতেছে ঢাকির ঢাক,
মা সাজিয়াছে ঐ
ছোট্ট সোনা বায়না ধারে
নতুন জামা কই।
সপ্তমী অষ্টমী জলে গেল,
নবমীতে ভোর হল,
বায়না ধরে সোনা জাদু
নতুন জামা কই,
দশমীটা চলে এল
বাবা আমার নতুন জামা কই,
সন্দেহটা দুর হল,
মায়ের ভাষান দিল,
বাবা এবার মুখ খুলল

মা এবার গেলই চলে
দুঃখ না ঘুচিয়ে,
নতুন জামা ছাড়াই
সম্মুখ পানে চাহি থাক
বাবা বলিছে বারে বারে মোরে.
      শেখ

শনিবার, ৮ অক্টোবর, ২০১৬

আমরা সবাই বাংলার বাংলা আমাদের সবার।

     খুকি
শেখর অধিকারী

সোনার চেয়ে খাটি দেশ
সে,যে আমার বাংলাদেশ,
আছে কত সুখি,প্রিয় খুকি
বাংলা মায়ের কোলে বসে,

আকাশ পানে চেয়ে,দেখে
এক গুচ্ছ তাঁরার খুশি,
বাঁকা চাঁদের সুখের হাসি,
পূর্নিমার রাতে, উদাস হারা,
পথ পানে চেয়ে থাকা,
সজল,দ্বীপের ঐ,খুকি,
দুঃখ ভুলে,আছে কত সুখি,

শিমুল,পলাশ,আম,জাম,
পেয়ারা,ডালিম,লিচু জলপাই,
সকলে,মোরে আদর করে,
কাছে টানে জড়িয়ে ধরে,
মিষ্টি সূরে বলে খুকি
তুলে নাও তোমার কোলে
ও খুকি তুলে নাও তোমার হাতে!
এমন করে কাটে খুকির বারটি বছর।

বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর, ২০১৬

একদিন যে শিম ছিল পথিকের বোঝা,কালক্রমে তা পথের রাজা।

আজকাল ফুটপাথ ধরে হাটতে গেলেই চোখে পড়ে চার চাকার ভ্যানের উপর ছোট বড় ঝুড়ি/বাটি।আর ঐসব ঝুড়ির ভিতর হরেক রকম বিজের ভাজি, দেখা মেলে।বিশেষ করে দৃষ্টি নন্দনকর শিমের বিজ-গুলো।
কোন এক সময় যে শিমের বিজ প্রায় মূল্যহীন ছিলো সেগুলো আজ কত শত মানুষের অনাহারে আহার মেলায়।গ্রাম থেকে কম দামে কিনে আনেন রাস্তার পশের হকার গুলো। সেইগুলো গরম বালুর ভেতর ভাজি করে বাজারে বিক্রি করে।আমার মত হাজার মানুষ মুখরচক করে আশ্বাদন করে।
একদিকে সন্ধ্যার হালকা নাস্তাও হল,অন্যদিকে অনাহারের ভগ্যে দুবেলা দু-মুঠো অন্যের মুখ দেখল।
এমনকি তাঁদের ছেলে মেয়েরা স্কুলের মুখও দেখতে পায়।
অবহেলা নয়, এনাদের সম্মানের চোখে দেখা আমার আপনার অন্যতম কর্তব্য।

একদিন যে শিম ছিল পথিকের বোঝা,কালক্রমে তা হয়েছে পথের রাজা।

সোমবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৬

হাটতে চেয়েছি গ্রাম্য সাদা মাঠা মেঠো পথে।নিয়তি আমাকে বারবার মরুপথে ডাকে।সে ডাকে আমি সাড়া দেই না।তাইতো জীবনটা এত অগোছালো।

                 মরু পথে
           শেখর অধিকারী

            বুকে পীপাষা তৃষ্ণা নিয়ে
                     মরু পথে হাটছে কত লোকে,
চলেছে উঠ,গাঁধা একই সাথে একই পথে।

       অনন্ত কাল চলছে হেটে,
              উঠ গাধা মানুষ একই সাথে,
                   বইছে কত কাল বায়ু ধারা,
                       বুকে নিয়ে একরাশ বালুকণা।

     শূন্যে করে উড়িয়ে নিয়ে,বালুকণা
            ফেলছে অন্তহীন পথের শূন্যে নিয়ে,
                  মাঝে মাঝে ঝড়ো হাওয়ার ঘূর্ণিপাকে,
                       প্রাণ হারায় শত শত শক্ত প্রাণ।

  তক্ত মরু বালুর ঐ পথে,
        তবুও জীবন চলছে অবিরত,
             কুহেলিকা ভেঙে পথিক চলে সম্মুখ পানে
                           প্রাণের তৃষ্ণা বুকে নিয়ে।

শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০১৬

গভির রাতে ঘুমিয়ে গেছে নগরী,শহর,প্রবাসি।এখনো ঘুমায়নী আমি।

             গভীর রাত
         শেখর অধিকারী
গভীর রাত ঘুমিয়ে গেছে নগরী,
ঘুমিয়ে গেছে,গাছপালা,শহর, প্রবাশী,
শহর,পাড়া-গাঁয়ের লোক, সকলে মিলে,
কত সুখে,দিচ্চে পাড়ি ঘুমের রাজ্যে।

শুধু নাই ঘুম দু-চোখে আমার,
চোখের পলক আটকাতেই,ঘুমতে গেলেই,
দুচোখ ভেসে বয়ে চোয়াল বেঁয়ে জ্বিবহায়
ঝাঝালো স্বাদের নোনা জল।

ঘুমতে পারিনা, একটুকও আমি,
শুধু জাগিয়ে রাত্রি দেয় পাড়ি,
এক রাত্রি পাহারাদার প্রহরীর মতন,
রাতের পর রাত জাগি দেই পাড়ি একাকি!

কোথাও কোন, সাড়া,শদ্ব নাই,
নাই কোন ভেপু,হর্ণ,আকরিক জড়িত ইঞ্জিনের কুৎসিত শদ্ব।
নাই কোন নব-বধুর সুমধুর কন্ঠ,
আরো নাই বাজারের ফদ্য তুলে দেওয়া নরম হাতের স্পর্শ।
ছুটছে পৃথিবী পূর্ব পশ্চিমে অবিরত,
পিছনে ফেলে সময় নামক নিকৃষ্ট আলেয়া।

শুধু মাঝে মাঝে
লক্ষি পেচার ডাক শোনা য়ায়,
করুণ কন্ঠে ডাহুক ডেকে যায়,
বাবুর বাগানে গভির নিশিতে।
কুক পাখিটা বোধহয় আজও সজিনা গেছের মগডালে বসে দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দেয় তাঁর,
যে বছর দুই আগে চলে গেছে চির নিদ্রায় কবর দেশে,লাটিম,গুল্ম গাছ গুলোর নীচে।

সেই চৌদ্দ বছর আগে ফেলে আসা স্মৃতিরা
জগ ডুমুরের ডাল দিয়ে বাড়ি দিয়ে যায় মগজে,ঘিলুর চারপাশে,
বিতৃষ্ণা আরো বেড়ে যায়,
নিজের প্রতি,জীবনের প্রতি,
মানব জাতির অমানবতার প্রতি,
পরক্ষনে ভাবি,
আফিমের ভ্রমে বুঝি এমন হয়।

হঠাৎ কালো রাত্রি শেষে,
হলুদ সূর্যটা উঠলো হেসে,
চেতন ফিরলে অনুমানিতে পায়,
সব কিছু বৃথাই, মিছে আলেয়া।
ততক্ষনে,
কালের খেয়া,এসেছে তীরে,
আমারে নিতে একটু পরে যাব চলে,
রাত্রি শেষে হয়েছে সময়,হৃদে কড়া নেড়ে বলিছে দূত এসে!
সুন্দর,মায়াবী,মধুময়,হিংসাত্বক,রাজ্য ফেলে,
চলো,
এবার মায়া ছেড়ে চলো সব কিছু ভুলে।

শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

ভেবেই চলেছি অবিরাম,কি উপায়ে বাহুডরে আটকায় তোমায়!

    মেঘেরা উকি দিয়ে যায়!
অন্তহীন ভাবনার আকাশে
বারিষ ঝরে ফুল ফুটবে বলেই
মেঘেরা উকি দিয়ে যায়
অন্তহীন ভাবনার আকাশে!
অন্তহীন ভাবনার বেড়াজাল ভেদ করে
বারিষ তুমি আসবে বলেই
মনের দোয়ার খুলে রেখেছি কবেই!

বারিষ তুমি আসবে বলেই
কতশত রমনী উড়ে গেল গা ঘেষে
অন্তহীন ভাবনার অতল গহব্বরে!
কে কার খোজ রাখিবে বল,
তুমি আসবে বলেই
          বর্ষাকালে চাটাই মাদুরি বিছিয়ে
ডুবে থাকি ভাবনার গা বেঁয়ে
জামকালো বিলেতী গাছটির নিচে!

আজ ছেড়া কাটা শহরে আছি বলে
ভেবনা আশা ছেড়েছি বারিষ
বারিষ তুমি আসবে বলে
অজও বসে থাকি,দালান কোঠা ভেদ করে
শূন্য নীল গগন পানে!
০৩/০৩/২০১৪

আমি ভিজতে চাই ডুবে থাকতে চাই অনন্ত কাল,বাংলার মধুমাখা বর্ষাকালে

            বর্ষাকাল
       শেখর অধিকারী
শুভ্র কণায় ধুপগুড়া গুড়া মেঘ
ছম ছমে বাতাসে উড়িছে আকাশে।
বঙ্গদেশের নাতিশীতুষ্ণ হাওড়ে বাওড়ে
ধুপগুড়া মেঘ প্রান্তর থেকে দিগন্তরে।

কোন এক যুবক দল গুনিছে প্রহর
বর্ষার বাদলে ভিজাবে গতর।
এই বুঝি ঝড়জল বৃষ্টি আসিল
নায়িয়ে দিল গতর রসালো করে।

কোন এক যুবক দল গুনিছে প্রহর।
কখন আসিবে দিগন্ত জুড়ে বরষা।
মাতিয়ে নিবে,
ছোট নদী, খাল,বিল,যত্রতত্র
জন্মানো লতা গুল্ম,ডুমর,কদম্ব,
ফুলফল,প্লাবিত করে।

দ্বিগবিজয়ী বর্ষার প্লাবন শেষে
এক ঝলক রোদ এসে, হাসাল প্রকৃতি।
দুর্বার উপর বিন্দু বিন্দু শিশির কণা,
দেখায় যেন এক একটা হিরার কণা।
১০/০৭/১৬

বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

বাংলার প্রকৃতি মুগ্ধ করেছে হাজার ইংলিশিয়ানের।

Bangladesh

নির্-অপরাধ ওরা


২৪/০২/২০১৫

      " নির্-অপরাধ ওরা"

        শেখর অধিকারী

মিছিল বাহির করিলো, ওরা,
রক্তে রাঙিয়েছে, রাজপথ যারা,
করেছে রঞ্জিত,অসহায় নিরিহ,
মানুষের, খুনের রক্ত,দিয়ে।
মায়ের বুক,খালি করে
সন্তানকে পাঠালো লাশকাটা ঘরে যারা,
অত্যাচারী ওরা,
ক্ষমতা লোভি ওরা।
কাউকে ভালোবাসিতে জানে না যারা,
সদায় আত্নসুখ খুজে ওরা,
বর্বর ওরা,নির্দয় ওরা।
কৃষকের ধন, মজুরির, মান, কেড়ে নিয়ে,
অট্টালিকা,প্রাসাদ আটে তাঁরা।
বহু যুগ যুগান্তর পরে,
আজিকে রাজপথে ব্যানার হাতে,
মিসিল,বাহির হইলো
অত্যাচারি,র বিরুদ্ধে,
রাঘব বোয়ালের সম্মুখে।
তবুও থামেনী, বরর্বরতা,
আত্নহুতি, আর,, অরাজকতা
চলিছে অবিরাম,
লাশকাটা ঘরে তাড়াহুড়া,

আমরা নিরপরাধ,নিস্পাপ ছাত্র,
চাহিনা ধন দৌলত,চাহিনা বস্ত্র,
শুধু চষুকের, করিতে নৈতিক,
রাজ পথে আজিকের মিছিল,।
নিরপরাধী মোরা,চাহি শুধুই নৈতিকতা,
শুধু শুধু মোদের মারি,
রক্তে রঞ্জিত করি,
লাশকাটা ঘরে বিবস্ত্র করি,
কাটিয়া ছিড়িয়া দেহ গুলি,
রঞ্জিত করিলো
সাদা পৃষ্ঠার পাতে লাল কালির ন্যায়,
জীবন ছারেখারে করি,
নিজেদের না শুধরিয়ে কি মঙ্গল পাইলে
রাঘব বোয়ালের দল।